ইকতেদার আহমেদ : ভোট গ্রহণের ক্ষেে ত্র ইভিএম মেশিন সারা বিশে^ ভোটিং প্রতিরোধক নয়। তাই অনেক রাষ্ট্র এখন ব্যলট থেকেই সুবিধা নিতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র তারাও কিন্তু ব্যলটের মাধ্যমে ভোটিং পদ্ধতিতে ফিরে এসেছে। ভারতে পার্লামেন্টেও এ ব্যপারে আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি দিল্লির বিশ^বিদ্যালয়ে ইভিএমের মাধ্যমে যে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে সেটি কারচুপির কারণে বাদ হয়েছে। ইউরোপের অনেক রাষ্ট্রে ব্যাবহার করা বাদ দেয়া হয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে বাদ দেয়া হয়েছে , আবার কোন জায়গায় জনদাবির প্রেক্ষিতে এটিকে বাতিল করে দেয়া হয়েছে। যেহেতু এটি ভোটিং প্রতিরোধক নয়, আর আমরাও ধনী রাষ্ট্র নই তাই এটির ব্যপারে আরো বিবেচনা করা যেতে পারে।
যে টাকা ব্যয়ে আমরা ইভিএম ব্যবহার করবো সেটি দিয়ে অন্য কোন উন্নয়নমূলক কাজ করলে আমরা আরো উপকৃত হবো। জাতিয় বিবেচনায় আমাদের প্রধান সমস্য এখন ঢাকা শহরের যানজট। ইভিএমে যে টাকা খরচ করা হবে তার এক দশমাংশ যদি যানজট নিরসনে ব্যয় করা হয় তাহলে ঢাকা শহরের যানজট অনেক কমে যাবে। বর্তমানে ইভিএমের চেয়ে ঢাকা শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। আমাদের কর্মকর্তারা যদি সৎভাবে ভোট গ্রহণ করেন, তাহলে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা অপচয় করার কোন অর্থ হয় না। এটি জনগণের প্রদত্ত করের অপচয় ছাড়া আর কিছুই না।
পরিচিতি : সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক/ মতামত গ্রহণ : ফাহিম আহমাদ বিজয়/সম্পাদনা : মুহাম্মদ নাঈম