তরিকুল ইসলাম সুমন : এমপিওভুক্তির জন্য নতুন করে ৯ হাজার ৪৮৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বুধবার সচিবালয়ে মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা এমপিওভুক্তহীন সব প্রতিষ্ঠানের কাছে অনলাইনে আবেদন চেয়েছি। ইতোমধ্যে নয় হাজার ৪৮৯টি আবেদন জমা পড়েছে। এগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করছি। মন্ত্রিসভা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত সোমবার এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই আনুযায়ী আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়েও পর্যবেক্ষণ করব। যাচাই-বাছাই শেষ হলে এদের এমপিও দেওয়া হবে, এটা আমি নিশ্চিত করছি। যাচাই-বাছাইয়ের পরে উপযুক্ত সময়ে দেওয়া হবে। এটা সরকারের সিদ্ধান্ত।
সংখ্যা কত হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে এবং সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেব। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে এমপিওর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যাচাই-বাছাই করে দেওয়া হবে।
বেসরকারি শিক্ষকদের ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট এবং ৫ শতাংশ বৈশাখী ভাতার দাবি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারের কাছে অবগতি করেছি। আমরা শিক্ষকের পক্ষে আন্দোলন করি।
শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আসাদুল হক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভপতি মো. আজিজুল ইসলাম ও আব্দুল আওয়াল সিদ্দিকি, বাংলাদেশ কারিগরি কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলম সাজু, স্বাধীনতা মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাঈম, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মো. শাহজাহান খান এবং বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছিনের মহাসচিব মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজীসহ শিক্ষক-কর্মচারী সকল সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।